1 Answers

মামুন সাহেবের উক্তিটি হলো- মানুষ কুরআন অনুসরণে জীবন পরিচালনা করলে মানবজীবন নীতি-নৈতিকতামণ্ডিত সুন্দর ও শান্তিময় হয়ে উঠবে। মামুন সাহেবের এ উক্তিটি যৌক্তিক। কারণ-

জ্ঞান বা শিক্ষা হলো এক প্রকার আলো। এটি মানুষের অন্তর চক্ষুকে খুলে দেয়। শিক্ষিত মানুষ ব্যর্থতার কারণ ও সফলতার সোপান সম্পর্কে অবগত থাকে। সুশিক্ষিত মানুষ নৈতিক ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হয় এবং ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে শান্তি ও সফলতা লাভ করে থাকে। আসমানি কিতাব মূলত জ্ঞানের সর্বোত্তম উৎস। আসমানি কিতাব মানুষকে সবধরনের কল্যাণের পথনির্দেশ করে। আল-কুরআন প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশক। (সূরা আল-বাকারা: ১)

আল-কুরআন হলো, সকল জ্ঞানের আধার। মানবজীবনের প্রয়োজনীয় সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের মূলনীতি ও সারকথা এ গ্রন্থে নির্ভুলভাবে বর্ণিত হয়েছে। এভাবে আল-কুরআনের শিক্ষা মানুষকে সুশিক্ষিত করে তোলে ও নৈতিকতার বিকাশে সহায়তা করে।

আসমানি কিতাবসমূহে মানুষকে নীতি-নৈতিকতার আদর্শ অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব গ্রন্থে উন্নত আদর্শ ও সৎগুণাবলির নানা বিষয় অত্যন্ত সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে। পাশাপাশি যেসব কাজ ও অভ্যাসের দ্বারা নৈতিক জীবনাচরণ লঙ্ঘিত হয় সে সম্পর্কে সতর্ক ও নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ইত্যাদি কিতাব পাঠ করলেও মানবিকতার বহু দৃষ্টান্ত দেখতে পাওয়া যায়। সর্বোপরি আল-কুরআনে নীতি- নৈতিকতার পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, আসমানি কিতাব তথা কুরআন অনুসরণে জীবন পরিচালনা করলে মানবজীবন নীতি-নৈতিকতামণ্ডিত সুন্দর ও শান্তিময় হয়। অতএব প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি যৌক্তিক বলে বিবেচিত।

5 views

Related Questions