1 Answers

নিয়ন্ত্রণের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ত্রুটি বা বিচ্যুতি নিরূপণপূর্বক প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এ বিচ্যুতি নিরূপণে আদর্শ মানকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আদর্শ মানের সাথে তুলনা করার পর কার্যফলে কোনো বিচ্যুতি পাওয়া গেলে উক্ত বিচ্যুতির কারণ নির্ণয় এবং উক্ত কারণের যথার্থতা মূল্যায়ন নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ। এরূপ বিচ্যুতি যদি খুব বেশি হয় তাহলে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে।

উদ্দীপকে যমুনা গার্মেন্টস উৎপাদন বিভাগের জন্য প্রতিমাসে ৮,০০০ পিচ শার্ট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার পূর্ণ ব্যবহার করে গত চার মাসে উৎপাদনের প্রকৃত পরিমাণ ছিল ৭.৩০০, ৭,৫০০, ৭,২০০ এবং ৭,৪০০ পিচ। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ মাসিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭,৫০০ পিচ পুনঃনির্ধারণ করার চিন্তা করেন। এখানে আদর্শ মান হলো ৭,৫০০ পিচ। এখানে কার্যবিচ্যুতি হলো ৭,৫০০ পিচ - ৮,০০০ পিচ = ৫০০ পিচ।

বিচ্যুতির কারণ নির্ধারণ করার পর সংশোধনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়। উদ্দীপকে বিচ্যুতি নির্ধারণের পর সংশোধনমূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাসিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭,৫০০ পিচ পুনঃনির্ধারণ করার চিন্তা করেন। তাই আমি বলব, উদ্দীপকে মাসিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭,৫০০ পিচ পুনঃনির্ধারণ করার চিন্তা যৌক্তিক।

4 views

Related Questions