1 Answers

উদ্দীপকটি পাঠ করে আমরা জানতে পারি, রহিম সাহেব নিজে ইসলামি অনুশাসন মেনে চললেও পরিবারের সদস্যদের ইসলামি  বিধান অনুসরণে উৎসাহিত করেন না। তার ধারণা পরকালে প্রত্যেককে ব্যক্তিগত কাজের জন্য হিসাব দিতে হবে, কেউ ইসলামের অনুসরণ না করলে ব্যক্তিগতভাবে সে দায়ী থাকবে।

আমি মনে করি, রহিম সাহেবের ধারণা ঠিক নয়। কারণ পরিবারের সদস্যদের ইসলাম অনুসরণের ব্যাপারে রহিম সাহেবকেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি উদ্যোগী না হলে ধরে নেওয়া হবে যে, তিনি ইসলামের পূর্ণ বাস্তব অনুসারী নন। কারণ আল্লাহ বলেন, “হে ইমানদারগণ! তোমরা নিজেরা দোযখের আগুন থেকে বাঁচ এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে বাঁচাও।” এখানে পরিবার-পরিজন বলতে প্রথমত, নিজ পরিবার এবং দ্বিতীয়ত, গোটা সমাজকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ ইসলাম পালনে শুধু নিজে উদ্যোগী হলে হবে না বরং পরিবার ও সমাজের প্রতি রহিম সাহেবের দায়িত্ব রয়ে গেছে।

পরিশেষে বলা যায়, পারিবারিক দায়িত্ব পালন করা রহিম সাহেবের জন্য ফরজ। এর ব্যত্যয় ঘটলে রহিম সাহেব ফরজ পালন না করার অপরাধে পরকালে অভিযুক্ত হবেন। যার পরিণতিতে আল্লাহর আজাব ও গজব থেকে রেহাই পাবেন না। কাজেই রহিম সাহেবকে উদ্যোগী হয়ে পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

5 views

Related Questions