1 Answers
উদ্দীপকের উল্লিখিত সমস্যা উত্তরণে পরিচালক পর্ষদের কার্যভার লাঘবে জোড়-মই-শিকল নীতি অনুসরণ করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে শুরু করে একেবারে নিচের স্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক নিয়মে প্রতিটি ব্যক্তি, বিভাগ ও উপবিভাগকে একে অন্যের সাথে যুক্ত করে দেওয়ার বা একই শিকলের অধীনে সবাইকে আবদ্ধ করার নীতিকেই, ব্যবস্থাপনায় জোড়া মই-শিকল নীতি বলে। এতে শিকলের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত পারস্পরিক আবদ্ধতা কর্তৃত্বের প্রবাহ ও যোগাযোগের পথ নির্দেশ করে। কে কার অধীন, কে কার অধস্তন সহজে বোঝা যায়। ফলে সংঘবদ্ধতা জোরদার হয়। প্রতিষ্ঠানের যেকোনো পর্যায়ে সমস্যা দেখা দিলে তা ঊর্ধ্বতন সহজে জানতে পারে ও দ্রুত তার সমাধা সম্ভব হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে 'অরুনিমা' একটি বৃহদাতন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি লোকসানমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সংগঠন কাঠামোতে কর্মীরা একই সময়ে একাধিক কর্মকর্তার দেওয়া আদেশে কার্যসম্পাদন করছেন। ফলে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। আবার কোনো কর্মী নির্দেশনার অভাবে অলস সময় কাটাচ্ছেন। এ ছাড়াও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কার্যভার বেশি থাকায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময়ক্ষেপণ করে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানে বিশেষ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এমতাবস্থায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পর্ষদ বর্তমান সংগঠন কাঠামো ও জনবল ঠিক রেখে প্রতিষ্ঠানের সমস্যা উত্তরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য প্রতিষ্ঠানকে জোড়া মই-শিকল নীতি অনুসরণ করতে হবে। তবেই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্ট সমস্যা উত্তরণ করতে পারবে বলে আমি মনে করি।