1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটিতে জারিনের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে কর্মীরা আরো অধিক সচেতনতার সাথে কাজে মনোযোগী হতে পারে বলে আমি মনে করি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক জারিন পরবর্তীতে কর্মীদের জন্য প্রেষণার যে -কৌশল ব্যবহার করেছেন তা হলো নেতিবাচক প্রেষণা। প্রেষণার যেসব কৌশল ব্যবহার করে কর্মীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে কাজ আদায় করা হয়, তাকে নেতিবাচক প্রেষণা বলে। নেতিবাচক প্রেষণা ব্যবহার করা অনেক ক্ষেত্রে যৌক্তিক। এটি ইতিবাচক প্রেষণার সম্পূর্ণ বিপরীত।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জারিন প্লাস্টিক কারখানার উৎপাদন বিভাগের কর্মীরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে মনোযোগসহকারে কাজ করছে। এতে বোঝা যায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরকে ইতিবাচক প্রেষণা দেওয়া হয়েছে। তবে প্যাকেজিং বিভাগে কর্মীরা কয়েকজন কাজ করছে। কয়েকজন খোশগল্পে মাতোয়ারা। এতে বোঝা যায়, যারা খোশগল্পে মাতোয়ারা তারা যৌক্তিক কারণ ছাড়াই কাজে ফাঁকি দিচ্ছে। তাই জারিন পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তাদের ডেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন এবং ভবিষ্যতের জন্য সকলকে সতর্ক করে দিলেন। ফলে কর্মকর্তাগণ আরো অধিকতর নজরদারি বাড়াবেন এবং কর্মীরা কাজে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ পাবে না, ফলে কাজে মনোযোগী হবে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটিতে জারিন এর গৃহীত পদক্ষেপের ফলে কর্মীরা আরো অধিক সচেতনতার সাথে কাজে মনোযোগী হতে পারে বলে আমি মনে করি।

4 views

Related Questions