1 Answers
উদ্দীপকের চৈতীর চরিত্রে রন্তিবর্মার মানবতাবোধের গুণটি ফুটে উঠেছে।
মানুষের সহজাত কিছু প্রবৃত্তি নিয়ে মানুষ জন্মগ্রহণ করে। কেননা মানুষকে তখনই প্রকৃত মানুষরূপে চিহ্নিত করা যাবে যখন কোনো একটি বিশেষ গুণের দ্বারা তাকে অন্যান্য জীবজন্তু থেকে আলাদা করা যাবে। আর সে গুণটির নাম মানবতা। রন্তিবর্মা ছিলেন এ মানবতাবোধ গুণটির অধিকারী। উদ্দীপকের চৈতীর মধ্যেও এ গুণটি ফুটে উঠেছে। চৈতী ঢাকা থেকে নড়াইলে যাওয়ার সময় আরিচা ফেরিঘাটে পৌঁছালে এক অসহায় বৃদ্ধাকে শীতে কাঁপতে দেখল। বৃদ্ধার পরনে একটা ছেঁড়া শাড়ি ছাড়া আর কোনো শীতবস্ত্র ছিল না। এটা দেখে চৈতী তার সোয়েটারটা খুলে বৃদ্ধাকে দিয়েছিল। রাজা রন্তিবর্মার ক্ষেত্রেও আমরা দেখতে পাই যে, সে নিজে আটচল্লিশ দিন অনাহারে থেকে প্রাণওষ্ঠাগত তবু অপরের দুঃখে নিজের ভিক্ষালব্ধ খাবার ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে নিয়ে নিজে কষ্ট সহ্য করল। রন্তিবর্মার এ ধরনের কাজের মাধ্যমে মানবতাবোধের প্রকাশ ঘটেছে। উদ্দীপকের চৈতীর ক্ষেত্রেও রন্তিবর্মার এ গুণটিরই প্রকাশ ঘটেছে।