1 Answers

মিলনের অসাধারণ শক্তি অর্জনের বিষয়টি মৌদগল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

বৃদ্ধের দুইজন অগ্রশ্রাবকের মধ্যে একজন হলেন মৌদগল্যায়ন স্থবির। তিনি মোগলী ব্রাহ্মণীর পুত্র ছিলেন। রাজগৃহের কোলিত গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ঋদ্ধি শক্তিতে শ্রেষ্ঠ মৌদগল্যায়ন বুদ্ধের বামদিকে বসতেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, দুই বন্ধু কল্যাণ ও মিলন ও মিলন জীবনের অনিত্যতা বুঝতে পেরে প্রব্রজ্যাগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে মিলন ত্রিলোক দূরে দেখার অসাধারণ শক্তি অর্জন করেন যা বুদ্ধের ধর্ম প্রচারে অনন্য ভূমিকা পালন করে। বিষয়টি চরিতমালার মৌদগল্যায়নের ত্রিভূবন ঘুরে অভিজ্ঞতা অর্জন ও ধর্মপ্রচারে তা ব্যবহারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মৌদগল্যায়ন ছিলেন ঋদ্ধিশক্তিতে অদ্বিতীয়। প্রজ্ঞায় সারিপুত্রের পরে ছিল এর স্থান এবং ঋদ্ধিশক্তি ছিল তাঁর অফুরন্ত কর্মশক্তির উৎস। ঋদ্ধিবলেই তিনি স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল এই ত্রিভূবন ঘুরে ঘুরে বুদ্ধের ধর্ম প্রচার করতেন। এমনকি নরকে গিয়ে গিয়ে নারকীয় দুঃখ দেখে এসে অন্যদের বাছে উপদেশ দিতেন বলে তার দেশনা ছিল সবসময় চিত্তগ্রাহী। তাঁর দেশনায় নতুন নতুন বিষয় যেমন উপস্থাপিত হতো তেমনি সরল ও প্রাজল ব্যাখ্যায় তা পরিবেশন করা হতো।

4 views

Related Questions