1 Answers
আলোচ্য উদ্দীপকে অর্জুন তার গর্ভবতী স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। কাছের মানুষের মৃত্যুতে তার অবস্থা পাগলপ্রায়। প্রতিবেশী বিমলের কথানুযায়ী শ্রীকৃষ্ণের কীর্তন শুনতে সে শংকরপাশা গ্রামে যায়। সুরে, ছন্দে, তালে অন্যান্যদের সাথে সে শ্রীকৃষ্ণের নামের জপ করতে থাকে। অর্জুন দুঃখভরা ক্লান্ত হৃদয়ে এক মনে শ্রীকৃষ্ণের কীর্তন শোনে এবং নিজেও কণ্ঠ মেলায় এবং একসময় জানতে পারে এ মায়ার পৃথিবী থেকে সবার একদিন চলে যেতে হবে। এটি প্রকৃতিরই নিয়ম। তারপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অশেষ কৃপায় তার হৃদয় শান্ত হয়। দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা যেন শ্রীকৃষ্ণের নামের সাথে বিলীন হয়ে যায়। সকল দুঃখ, যন্ত্রণা থেকে সে পরিত্রাণ পায়। এভাবে শ্রীকৃষ্ণ কীর্তনের মূল বিষয়বস্তু শ্রবণের মাধ্যমে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।