1 Answers
আলোচ্য উদ্দীপকে অর্নবের মামা অর্নবকে জীবসেবার গুরুত্ব বুঝিয়ে বলেন। তখন অর্নব সিদ্ধান্ত নেয় সে তার আগের আচরণ পরিবর্তন করে এখন থেকে সে জীবে দয়া করবে, জীবকে কোনো কষ্ট দিবে না। মানুষের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবে। দরিদ্র মানুষকে সাধ্যমতো সাহায্য করবে। অসহায়কে পথ চলতে সাহায্য করবে। কেউ কোনো পশু বা পাখি মারতে উদ্যত হলে তাকে বুঝিয়ে জীবহত্যা থেকে বিরত রাখবে। তার সামনে কোনো জীব অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত হলে সেবা করে সুস্থ করে তুলবে। জীব ঈশ্বরের মূর্তিময় প্রকাশ হিসেবে সে জীবসেবা করবে। কোনো ভিক্ষুকের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। সামর্থ্য মতো সাহায্য করবে। তার মধ্যে উপলব্ধি তৈরি হয় মানুষের জীবন শুধু নিজের জন্য নয়।
অপরের কল্যাণে নিজের জীবন বিলিয়ে দেবার মধ্যেই সার্থকতা। তাছাড়া জীবসেবাই যেহেতু ঈশ্বর সেবা তাই ঈশ্বর জ্ঞানে জীবসেবা করতে হবে।