1 Answers
কর্মবাদ অনুসারে প্রত্যেক মানুষকে তার নিজ কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে হয়। যে যেমন কর্ম করবে সে তেমন কর্মফল ভোগ করবে। মানুষের জীবন কর্মবিধান দিয়ে শৃঙ্খলিত হয়ে আসছে এবং অতীত কর্ম দিয়ে বর্তমান জীবন নির্ধারিত হয়েছে। আবার বর্তমান কর্মের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জীবন নির্ধারিত হচ্ছে। অর্থাৎ অতীতের উপর যেমন বর্তমান জীবন নির্ভর করে,। আবার বর্তমানের উপরও ভবিষ্যৎ জীবন নির্ভর করে। কর্ম যদি ভালো-মন্দ হয় তবে ফলও ভালো-মন্দ হবে। যে ব্যক্তি যেমন বীজ বপন করবে সে তেমন ফসল পাবেন। কেউ যদি ধানের বীজ রোপণ করে তবে সে ধান পাবে, গম পাবে না। আর কেউ যদি খারাপ ধানের বীজ বপন করে তবে খারাপ ধান পাবে, ভালো ধান পাবে না। পৃথিবীর সবখানেই একই নিয়ম প্রযোজ্য। বর্তমান মুহূর্তের কর্ম পরবর্তী মুহূর্তে ফল প্রদান করে। মানুষ নিজ নিজ ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।
উদ্দীপকে নিবেদিতা ঠিক ভাবে পড়াশোনা না করার ফলে পরীক্ষায় খারাপ করে। কিন্তু পরবর্তীতে সে ভালোভাবে পড়াশোনা করে। যার ফলে সে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে। অর্থাৎ নিবেদিতা যেমন কর্ম করেছে তেমন ফল পেয়েছে। এটাই বৌদ্ধ কর্মবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।