1 Answers
আমরা জানি, প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মা বিরাজমান। হিন্দুধর্ম অনুসারে আত্মাই হলো ঈশ্বর। সুতরাং এ ধারণার আলোকে বলা যায়, পৃথিবীর প্রতিটি স্থানে যেখানে জীবের অস্তিত্ব আছে সেখানেই পরমেশ্বর বা ব্রহ্মের উপস্থিতি বিরাজমান। এছাড়াও জীবের জীবনধারণ পদ্ধতি এবং টিকে থাকার যে কৌশল তার মূলে রয়েছে ঈশ্বরেরই কৃপা। তিনিই জগতের নিধান- আধার ও আশ্রয়। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাতেও ঈশ্বরের কথা বলা হয়েছে। 'প্রভাবঃ প্রলয়ঃ স্থানং নিধানং বীজমব্যয়ম্'- (গীতা-৯/১৮)। একথার তাৎপর্য। হচ্ছে- তাঁর থেকে জগতের উৎপত্তি, তাঁর দ্বারা স্থিতি এবং তাঁতেই হচ্ছে লয়।
তাই আমরা বলতে পারি, লক্ষ্মীরাণী ঈশ্বরের সর্বময় ক্ষমতার এবং সর্বাবস্থায় সব জায়গায় উপস্থিতি ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তার ছেলে পার্থকে সহজেই ঈশ্বরের গুণ সম্পর্কে বোঝাতে সমর্থ হয়েছিলেন।