1 Answers
মিথিলা তার চব্বিশ বছরের শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে। আর সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের হাতে তাদের সার্টিফিকেট তুলে দিয়ে শিক্ষকরা কর্মজীবনে প্রবেশ করার অনুমতি দেন। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা অনেক উপদেশ দেন। মিথিলার সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ আরও অনেক গুণী ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষকগণ উপস্থিত হন। তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের জীবন চলার পাথেয় হিসেবে অনেক মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এসব মূল্যবান পরামর্শের মধ্যে সাধারণত মাতা- পিতাকে ভক্তি করা। সমাজের গুরুজনদের মেনে চলা ও সম্মান করা, পাড়াপ্রতিবেশীদের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করা। সমাজের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিবাদ করা প্রভৃতি শিক্ষা থাকে। এছাড়া নিজের জীবন কীভাবে গড়ে তুলতে হবে। কর্মজীবনে কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে সে পরামর্শও দিয়ে থাকেন। কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য পরীক্ষা নামক যুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়ে চাকরির ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি হতে হবে সে বিষয়েও পরামর্শ দিয়ে থাকে। এছাড়া সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অনেক দিন পর বন্ধুরা সবাই একত্রিত হয়ে একে অপরের সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যসম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করে। অনেক সময় অনেক বন্ধুরা ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পায়। আর যারা পায় না তারা সকল বন্ধুদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে।
পরিশেষে বলা যায় যে, কর্মজীবনে প্রবেশের আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি পরবর্তী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে যা মিথিলা তার সমাবর্তন অনুষ্ঠান থেকে উপলব্ধি করতে পেরেছিল।