1 Answers
মানুষ জেনে না জেনে অনেক সময় অনেক পাপ কাজ করে থাকে ফলে মানুষের অন্তরে কালিমা লেগে যায়। মানুষের চরিত্র কলুষিত হয়। গঙ্গাস্নান করলে মানুষের সকল পাপ মুছে যায়, পুণ্য অর্জন হয়। সকল কালিমা দূর হয়ে মানুষ নিষ্পাপ হয়ে যায়। উদ্দীপকের বর্ণনায় অজিতের মায়ের গঙ্গাস্নানের ইচ্ছা হয়। কিন্তু গঙ্গা স্নান চাইলেই করা যায় না। এর জন্য শারীরিক সামর্থ্যেরও প্রয়োজন হয়। তাই গঙ্গাস্নানের পরিবর্তে পণাতীর্থে স্নানের মাধ্যমেও মানুষ ধর্মপালন করতে পারে। তাই ধর্মীয় দিক থেকে পণাতীর্থ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। অপরদিকে, পণাতীর্থে বহুলোকের সমাগম হয়। যেমন- সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর গ্রামের পণাতীর্থে চৈত্র মাসের বারুনীস্নানে বহু জনসমাবেশ হয়। বিভিন্ন জাতি-বর্ণের মানুষ এখানে একত্রিত হয়। সকলে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ভুলে একই জলে স্নান করে পাপমুক্ত হয়। সকলের মধ্যে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির সৃষ্টি হয়। অন্যায়, অবিচার ও খারাপ কাজ থেকে দূর থাকার প্রতিজ্ঞা করে। সকলের মধ্যে আত্মসচেতনাবাধ সৃষ্টি হয়। পুণ্য জলে সকল দুঃখ, কষ্ট, পাপ, কালিমা জলাঞ্জলি দিয়ে পূতপবিত্র মানুষ হিসেবে জন্মলাভ করে। তাই বলা যায়, ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে পণাতীর্থ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।