1 Answers
১নং উদ্দীপকে যে মহিয়সী নারীর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা আমার পাঠ্যপুস্তকের মহীয়সী নারী শ্রীমার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপক-১ এ কোম্পানীগঞ্জে এক আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্ন মহিয়সী নারী জেগে ওঠে। তিনি খুব আকর্ষণীয় ছবি আঁকতেন, গানও জানতেন। প্রতিবছরের শেষ দিন রাত ১২ টার পর তিনি অর্গাণ বাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতেন। মহিয়সী নারী শ্রীমা একাধারে বুদ্ধিমতী, দানশীল এবং ধর্মানুরাগিনী ছিলেন। ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের প্যারিস শহরে শ্রীমা জন্মগ্রহণ করেন। ভারতবাসীর কাছে তিনি এ নামেই পরিচিত। শৈশবকাল থেকেই শ্রীমার মধ্যে আধ্যাত্মিক ভাব জেগে ওঠে। তিনি শুধু ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। ধর্মের অনুরাগে তিনি শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব স্থান ভারতবর্ষে আসেন। ধর্মের অনুরাগেই তাঁর প্রাপ্ত পৈতৃক সম্পত্তির সবটুকু ঋষি অরবিন্দের আশ্রমে জনকল্যাণে আর ঈশ্বরের সেবায় দান করে গেছেন। আশ্রমের সব মানুষ এবং জীব, গাছপালা সবাইকে মায়ের মতো আগলে রাখতেন। তিনি গরীবদের চিকিৎসার জন্য দাতব্য চিকিৎসালয়, স্কুল ও কলেজ নির্মাণ করেন। পরিশেষে বলা যায় যে, ১নং উদ্দীপকে যে মহিয়সী নারীর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা আমার পাঠ্যপুস্তকের শ্রীমার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।