1 Answers
উদ্দীপকের ফাতিমা চরিত্রের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার মিল লক্ষ করা যায়।
বেগম রোকেয়ার সময়কালে বাংলা তথা ভারতবর্ষের নারীরা অনেক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। লেখাপড়া শেখা তাদের জন্য এক রকম নিষিদ্ধই ছিল। বিশেষ করে মুসলিম সমাজে ধর্মের নামে তাদের রাখা হতো পর্দার আড়ালে গৃহবন্দী। বেগম রোকেয়া এসব গোঁড়ামি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লেখনী ধারণ করেন। বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক রচনার মাধ্যমে তিনি নারী সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা করেন। নারী শিক্ষার সম্প্রসারণে তিনি একে একে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এরমধ্যে একটি ছিল বিহারের ভাগলপুরে স্বামীর নামে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যালয়।
উদ্দীপকের সোনাপুর গ্রামের মুসলিম সমাজের মেয়েরা শিক্ষাসহ বিভিন্ন অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে তাদের ঘরে আটকে রাখা হতো। সমাজে নারীদের সার্বিক অবস্থা ছিল করুণ। ঐ গ্রামের মেয়ে ফাতিমা অন্য নারীদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে সচেষ্ট হন এবং নারীশিক্ষার জন্য একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। উপরে আলোচিত তথ্যের আলোকে আমরা বলতে পারি, ফাতিমার চরিত্রের সাথে পাঠ্যপুস্তকের মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার মিল লক্ষ করা যায়।