1 Answers
উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের মহীয়সী নারী 'মীরাবাঈ'-এর কথা বলা হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই মীরাবাঈ ধর্মানুরাগী ছিলেন। বালিকা বয়সেই তিনি ভক্তি রসাত্মক ভজন রচনায় অসামান্য প্রতিভার পরিচয় দেন। চতুর্ভুজীর মন্দিরের দেয়ালে মীরার কয়েকটি উৎকৃষ্ট ভজন উৎকীর্ণ আছে। একবার এক সাধু মীরাকে গিরিধারী গোপালের একটি বিগ্রহ দেন। মীরা সেটা তাঁর প্রাসাদে নিয়ে নিত্য তার সেবা-পূজা করতেন। অতুল ঐশ্বর্য ধনসম্পদের অধিকারী হয়েও এসবের প্রতি মীরার কোনো আসক্তি নেই। জীবনে তাঁর একমাত্র কাম্য বস্তু হলো কৃষ্ণপ্রেম আর গিরিধারীলালের সাক্ষাৎ লাভ। তিনি শুধু সাধনভজন নিয়েই থাকতেন। প্রাসাদে কোনো সাধুসন্ত এলে ছুটে যেতেন তাঁর কাছে। একমনে হরিকথা শুনতেন। কখনো ভাবাবিষ্ট হয়ে নিজের কণ্ঠেই শুরু করতেন ভজন গান। তাঁর স্বামী ভোজরাজ স্ত্রীর প্রতি উদার ছিলেন। তিনি একটি কৃষ্ণমন্দির নির্মাণ করে সেখানে কৃষ্ণের বিগ্রহ স্থাপন করে দেন। মীরা এতে খুব খুশি হন। স্বামীর প্রতি তাঁর ভক্তিশ্রদ্ধা বেড়ে যায়। কিন্তু সময় কাটে তাঁর কৃষ্ণভজনে।