1 Answers

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ধর্মসংস্কারের কথা বলা হয়েছে।

উনবিংশ শতাব্দীতে ধর্ম বর্ণ, নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষকে ভালবেসে এক মহামানব ভারতবর্ষে প্রেমভক্তি বিলিয়েছেন। তিনি বলেছেন "একমাত্র প্রেমপূর্ণ ভক্তি দিয়েই পরম আরাধ্য ভগবানকে লাভ করা যায়। হিন্দুধর্ম বিকাশের ক্ষেত্রে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেম ভক্তির ধর্ম তথা আন্দোলনটি বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হয়। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমভক্তির আন্দোলনটি হিন্দুধর্ম চেতনায় বিভিন্ন দেব-দেবীর অনুসারীদের বিদ্বেষ এবং বর্ণভেদ প্রথা দুর করতে অনেকখানি সমর্থ হয়। প্রেমপূর্ণ ভক্তি দিয়েই পরম আরাধ্য ভগবানকে লাভ করা যায়। আর ধর্ম আচরণে ব্রাহ্মণ, অব্রাহ্মণ, নারী, পুরুষ সকলের সমান অধিকার রয়েছে। চৈতন্য মহাপ্রভুর এই প্রেমভক্তি অনুসরণ করে আবির্ভাব ঘটে প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের। তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রদর্শিত পথের সাধক হয়ে ধর্ম সাধনার ক্ষেত্রে এক অনন্য অবদান রেখে গেছেন। শ্রীচৈতন্য প্রবর্তিত প্রেমভক্তির ধর্মটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচার করার মানসে ১৯৬৬ সালে জুলাই মাসে নিউইয়ক শহরে শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ 'ইস্কন' প্রতিষ্ঠা করেন। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমভক্তি আন্দোলনের কথা বলা হয়েছে।

5 views

Related Questions