1 Answers
উদ্দীপকে যুগোপযোগী ও সর্বজনীন পদ্ধতি বলতে যে দুটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, সে পদ্ধতি দুটি হলো ইজমা ও কিয়াস।
আমরা জানি, মুসলিম সমাজ কখনো নিশ্চল, নিথর ও গতিহীন ছিল না। সর্বদাই এ সমাজ গতিশীল। কাজেই এ সমাজে যদি এমন কোনো সমস্যা দেখা দেয় যার সমাধান কুরআন ও সুন্নাহতে সরাসরি পাওয়া যায় না তার সমাধান মুসলিম উম্মাহর ঐকমত্যের ভিত্তিতে করা হয়। এরূপ সিদ্ধান্তকে ইজমা বলা হয়।
আমরা আরও জানি, জগতের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন নতুন জিজ্ঞাসার জন্ম হয়, নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন জটিলতার উদ্ভব ঘটে। এক্ষেত্রে পূর্ব সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করে উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে পূর্বের আইন প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। একে কিয়াস বলা হয়।
ইসলামি শরিয়তে ইজমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল-কুরআন ও হাদিসের পরই এর স্থান। এটি শরিয়তের তৃতীয় উৎস ও অকাট্য দলিল। আল-কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদিস দ্বারা ইজমার বৈধতা প্রমাণিত। এছাড়া ইজমার পরই কিয়াসের স্থান। আল-কুরআন ও হাদিসে কিয়াসকে শরিয়তের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, কুরআন ও সুন্নাহর নীতির আলোকে যুগোপযোগী ও সর্বজনীন পদ্ধতি হিসেবে ইজমা ও কিয়াসের গুরুত্ব অপরিসীম।