1 Answers
উদ্দীপকে লিওনী ও দোলা যে পদ্ধতির কথা জানে না, সেই পদ্ধতিগুলো হলো অন্বয়ী পদ্ধতি, ব্যতিরেকী পদ্ধতি, যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতি, সহপরিবর্তন পদ্ধতি, পরিশেষ পদ্ধতি ইত্যাদি। অন্বয়ী পদ্ধতির সুবিধাসমূহের মধ্যে দেখা যায় যে-
প্রথমত, অন্বয়ী পদ্ধতি মূলত নিরীক্ষণের পদ্ধতি। আর নিরীক্ষণের পদ্ধতি বলেই এ পদ্ধতির প্রয়োগ খুবই সহজবোধ্য। যেসব ঘটনা আমাদের আয়ত্তের বাইরে এবং যেখানে পরীক্ষণ সম্ভব নয়, সেখানে আমরা খুব সহজে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারি। যেমন: চন্দ্রগ্রহণ, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ইত্যাদি ঘটনা ব্যাখ্যার জন্য কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করতে গিয়ে আমাদের পক্ষে নিরীক্ষণের সাহায্য গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর থাকে না। এ ঘটনাগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে বলে এদের ক্ষেত্রে পরীক্ষণ না হয়ে নিরীক্ষণের সাহায্যে সফলতার সাথে অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারি।
দ্বিতীয়ত, নিরীক্ষণের পদ্ধতি বলে এ পদ্ধতি সমান সফলতার সাথে কার্য থেকে কারণের দিকে এবং কারণ থেকে কার্যের দিকে গমন করতে পারে।
তৃতীয়ত, যেখানে পরীক্ষা পদ্ধতি অচল, সেখানে নিরীক্ষণমূলক পদ্ধতি একমাত্র উপায়।
চতুর্থত, এ পদ্ধতির প্রয়োগে তেমন কোনো গবেষণাগারে জটিল পদ্ধতি বা জ্ঞানগত পান্ডিত্যের প্রয়োজন হয় না বলে এটি একটি সহজ-সরল পদ্ধতি।
পঞ্চমত, এ পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হচ্ছে এ পদ্ধতিই প্রকল্পের আকারে একটি কার্যকারণ সম্পর্কের আভাস দেয়, যাকে যাচাই করে নিতে হয়।
ষষ্ঠত, এ পদ্ধতি প্রয়োগে গবেষণাগারে বা তেমন ব্যয়বহুল কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না বলে এ পদ্ধতির আর্থিক সুবিধা রয়েছে।
এছাড়া বৈধ প্রকল্প প্রণয়নে সহায়ক, ব্যতিরেকী পদ্ধতির সহায়ক, সহজ-সরল প্রয়োগ ও অন্যান্য পদ্ধতির সহায়ক ইত্যাদি সুবিধা এ অন্বয়ী পদ্ধতির আছে।