1 Answers

ব্যতিরেকী পদ্ধতির দুটি সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো-

১। ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি : এর দৃষ্টান্তগুলো একটু বিশেষ ধরনের। কেবল পরীক্ষণের সাহায্যে তাদের সুষ্ঠুভাবে সংগ্রহ করা যায়। এ পদ্ধতিতে অপরাপর অবস্থাকে অপরিবর্তিত রেখে একটি বিশেষ অবস্থাকে একবার হাজির করে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায় এবং একবার তাকে সরিয়ে দিয়ে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়।

২। একই পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা যায় বলে একে প্রমাণের পদ্ধতিও বলে। এর সাহায্যে শুধু আবিষ্কার করা হয় না, প্রমাণও করা হয়। অন্বয়ী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্কের যে আভাস দেয়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি তাকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে।

7 views

Related Questions