1 Answers
উদ্দীপকের আলোকে ব্যতিরেকী পদ্ধতির তিনটি সুবিধা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
প্রথমত: ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি। এর দৃষ্টান্তগুলো একটু বিশেষ ধরনের কেবল পরীক্ষণের সাহায্যেই তাদেরকে সুষ্ঠুভাবে সংগ্রহ করা যায়। এ পদ্ধতিতে অপরপর অবস্থাবলিকে অপরিবর্তিত রেখে একটি বিশেষ অবস্থাকে একবার হাজির করে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায় এবং একবার তাকে সরিয়ে দিয়ে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। এভাবে পরীক্ষণের উপর নির্ভর করে এ পদ্ধতির সিদ্ধান্ত নিশ্চিত স্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয়ত: কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি একটি প্রমাণ পদ্ধতি। এর সাহায্যে শুধু আবিষ্কার করা হয় না, প্রমাণও করা হয়। অন্বয়ী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্কের যে আভাস দেয়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি তাকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে দেয়।
তৃতীয়ত: ব্যতিরেকী পদ্ধতি খুবই সহজ-সরল প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতিতে সদর্থক ও নঞর্থক, মাত্র এ দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয় বলে এতে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয় না। পদ্ধতিটি যদি সহজ-সহজ প্রক্রিয়া।
উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, ব্যতিরেকী পদ্ধতি একটি সুবিধাজনক প্রক্রিয়া।