1 Answers
উদ্দীপকে জনাব আলাউদ্দিনের নাপা ট্যাবলেটের সাথে জ্বরের কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণে ব্যতিরেকী পদ্ধতির বেশকিছু সুবিধার প্রতিফলন ঘটেছে।
প্রথমত, ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি : এর দৃষ্টান্তগুলো একটু বিশেষ ধরনের; কেবল পরীক্ষণের সাহায্যেই তাদের সুষ্ঠুভাবে সংগ্রহ করা যায়। এ পদ্ধতিতে অপরাপর অবস্থাকে অপরিবর্তিত রেখে একটি বিশেষ অবস্থাকে একবার হাজির করে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায় এবং একবার তাকে সরিয়ে দিয়ে তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়। এভাবে পরীক্ষণের উপর নির্ভর করে এ পদ্ধতির সিদ্ধান্ত নিশ্চিত স্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয়ত, কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ: এ পদ্ধতি একটি প্রমাণ পদ্ধতি; এর সাহায্যে শুধু আবিষ্কার করা হয় না, প্রমাণও করা হয়। অন্বয়ী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্কের যে আভাস দেয়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি তাকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে দেয়।
তৃতীয়ত, ব্যতিরেকী পদ্ধতি খুবই সহজ-সরল প্রক্রিয়া : এ পদ্ধতিতে সদর্থক ও নঞর্থক, মাত্র এ দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয় বলে এতে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয় না।
চতুর্থত, ব্যতিরেকী পদ্ধতির ব্যবহার খুব বেশি: ব্যতিরেকী পদ্ধতি থেকে নিশ্চিত ফলাফল পেতে হলে একে পরীক্ষণের সাহায্যে সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করা দরকার। কিছু সাধারণ মানুষ নিরীক্ষণের মাধ্যমে এর প্রয়োগ করে থাকে। তাই এর ব্যবহার খুব বেশি।
পঞ্চমত, ব্যতিরেকী পদ্ধতি অন্যান্য পদ্ধতির সিদ্ধান্ত প্রমাণে সহায়ক : অন্বয়ী ও অন্যান্য পদ্ধতি থেকে অনুসন্ধানাধীন ঘটনার কার্যকারণ সম্পর্কের যে আভাস পাওয়া যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতি ব্যবহার করে সেটিকে যাচাই ও প্রমাণ করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, নাপা বড়ির সাথে জ্বরের কার্যকারণ সম্পর্ক, নির্ণয় করতে গিয়ে ডাক্তার আলাউদ্দিন ব্যতিরেকী পদ্ধতি অনুসরণের সময় উপযুক্ত সুবিধাসমূহ ভোগ করবেন।