1 Answers

উদ্দীপকে মনির সাহেবের পরিবারের ঘটনার সাথে কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণের অন্বয়ী পদ্ধতির অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তির সাদৃশ্য রয়েছে।

যেহেতু অন্বয়ী পদ্ধতি একটি নিরীক্ষণের পদ্ধতি, তাই নিরীক্ষণকার্য চালানো হয় আমাদের ইন্দ্রিয় শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের ইন্দ্রিয় শক্তি খুবই দুর্বল হওয়ায় সবকিছু নিখুঁত বা যথার্থভাবে নিরীক্ষণ করা সম্ভব হয় না বলে অনেক সময় নিরীক্ষণে ভুল হয়। এ নিরীক্ষণ ভুলের কারণে অন্বয়ী পদ্ধতির প্রয়োগে বেশকিছু অনুপপত্তি ঘটে, যার একটি অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি।

কোনো কোনো সময় অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত গঠনকালে অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি বা দোষ ঘটে থাকে। খুব অল্পসংখ্যক দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণের অভিজ্ঞতা থেকে কোনো সার্বিক বাক্য গঠন করলে এ সমস্যা দেখা দেয়; যেমন: পেটের পীড়ায় আক্রান্ত কয়েকজন রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেল, তারা সবাই দুধ (Milk) পান করছে। এ ক্ষেত্রে দুধ পান (Drinking milk) একটি সাধারণ অবস্থা। এ থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে, দুধ পানের সাথে পেটের পীড়ার একটা কার্যকারণ সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু খুবই অল্পসংখ্যক দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত টানা হয়েছে বিধায় অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি ঘটেছে।

অনুরূপভাবে, উদ্দীপকে মনির সাহেবের পরিবারের অনেকেরই দই খাওয়ার পর পেটের পীড়া দেখা দেওয়ায় সবাই মনে করে, দইয়ের সাথেই পেটের পীড়ার সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ, দই খাওয়াকেই তারা পেটের পীড়ার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে। এক্ষেত্রে তারা অল্পসংখ্যক দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিধায় অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি ঘটে।

5 views

Related Questions