1 Answers

উদ্দীপকে ফরহাদের মনে করা কার্যকারণ সম্পর্কটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণের 'অন্বয়ী পদ্ধতি' অনুসারে ব্যাখ্যা করা যায়।

'অন্বয়' শব্দের অর্থ মিল। এদিক দিয়ে অন্বয়ী পদ্ধতির অর্থ মিলের পদ্ধতি। এটি একটি নিরীক্ষণমূলক পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার সাথে অন্য একটি অবস্থার উপস্থিতির দিক দিয়ে মিল লক্ষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, আলোচ্য ঘটনার সাথে উক্ত অবস্থার কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক আছে।

সূত্রটি হলো, "কার্যের কোনো অঙ্গহানি না করে যে পূর্বগকে বাদ দেওয়া হয়, তা কখনোই কারণ বা কারণের অংশ হতে পারে না।"

এ সূত্রটির অর্থ হলো, কোনো পূর্বগামী ঘটনাকে বাদ দেওয়ার পরও যদি দেখা যায়, আলোচ্য ঘটনাটি বহাল তবিয়তেই আছে, তাহলে সেই পূর্বগামী ঘটনার সাথে আলোচ্য ঘটনাটির কোনোই সম্পর্ক থাকতে পারে না। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, যে অবস্থাটি সবসময়ই আলোচ্য ঘটনাটির সাথে বর্তমান এবং যাকে আলোচ্য ঘটনা থেকে আলাদা করা যায় না, সেটাই হবে আলোচ্য ঘটনার কারণ বা কার্য। আবার এ পদ্ধতিটি অপনয়ন নীতিমালার মাধ্যমে একদিকে যেমন অপ্রাসঙ্গিক ঘটনাগুলো বর্জন করে, তেমনি অন্যদিকে আলোচ্য দৃষ্টান্তসমূহের একক সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়। উদ্দীপকে ফরহাদের দেখা প্রাণীগুলো রং, আকার-আকৃতি খাদ্যাভ্যাস, ডাক প্রভৃতি দিক থেকে ভিন্ন রকমের। তবে এসব প্রাণীর সবগুলোরই শরীর লোম দ্বারা আবৃত এবং সবগুলোরই চারটি পা আছে। অর্থাৎ দুটি দিকে এদের মাঝে মিল খুঁজে পাওয়ায় একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, এরা চতুষ্পদ প্রাণী।

সুতরাং উদ্দীপকে কার্যকারণ সম্পর্কের অন্বয়ী পদ্ধতি অনুসারে উদ্দীপকের কার্যকারণ ব্যাখ্যা করা যায়।

4 views

Related Questions