1 Answers

উদ্দীপকে কার্যকারণ নীতি ও পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতির মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

কোনো আরোহ অনুমানে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক আরোহে সিদ্ধান্ত স্থাপনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট দুটি ঘটনার মধ্যে একটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা খুবই জরুরি, তবে এ কাজটি করা দুঃসাধ্য। আবার কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করা বলতে আমরা বুঝি, কোনো অজানা কার্যের কারণ অথবা কোনো জানা কারণের কার্য খুঁজে বের করা। প্রকৃতিতে ঘটনাবলি পরস্পর মিলেমিশে খুবই জটিল অবস্থায় বিরাজ করে। তাই খুব সহজে একটি কারণকে কারণ বলে অথবা কার্যকে কার্য বলে চেনা যায় না; এর জন্য প্রয়োজন কঠোর সাধনা বা শ্রম। যুক্তিবিদরা কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের কাজটি সহজতর করার জন্য কয়েকটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, এগুলো পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি নামে পরিচিত। এগুলোকে নিরীক্ষণ অথবা পরীক্ষণের মাধ্যমে বিশেষ কোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এবং অপনয়নের বিশেষ কোনো সূত্র অনুসরণ করে ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। এ সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য বিশেষ ক্ষেত্রে একটি বিশেষ পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

এ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঘটনাবলির অনুসন্ধানকে সিদ্ধান্ত স্থাপনের পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া। এর থেকেই আমরা কার্যকারণ নিয়মের সাথে পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির একটা ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে বিজ্ঞানীরা অনেক অনুসন্ধান ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আবিষ্কার করতে সক্ষম হন, যখনই চন্দ্র ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী আসে তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়, নতুবা হয় না; অর্থাৎ এক্ষেত্রে চন্দ্র ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবীর আগমনই হলো চন্দ্রগ্রহণের কারণ। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে কার্যকারণ নীতি ও পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতির মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের দিক প্রতিফলিত হয়েছে।

4 views

Related Questions