1 Answers

ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে প্রধানত একটি পরীক্ষণ পদ্ধতি বলা হয়। কারণ এ পদ্ধতিতে এমন দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয় তাতে শুধু একটি বিষয়ে পার্থক্য থাকবে কিন্তু আনুষঙ্গিক অবস্থাগুলো উভয় ক্ষেত্রেই এক বা অপরিবর্তিত থাকবে। কিন্তু দৃষ্টান্ত দুটিকে এরকম সুনির্দিষ্ট অবস্থায় পাওয়া সম্ভব হতে পারে যদি বিষয়টা আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। অর্থাৎ যা আমাদের আয়ত্তের মধ্যে একমাত্র সেগুলোকেই কৃত্রিম উপায়ে একই অবস্থায় রেখে একটি দৃষ্টান্তে একটি বিষয়ের উপস্থিতি এবং অন্য দৃষ্টান্তে তার অনুপস্থিতি শুধু পরীক্ষণ পদ্ধতিতেই সম্ভব হয়। সহজ কথায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে যে ধরনের দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয়, ঠিক সে ধরনের দৃষ্টান্ত সরবরাহ করতে পারে বলে ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে পরীক্ষণের পদ্ধতি বলে।

5 views

Related Questions