1 Answers
গীতা পাঠ ও চর্চা করা হিন্দুধর্মের উচ্চ চেতনার প্রতিফলন'- এ কথাটি সঠিক ও যুক্তিযুক্ত।
কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের রথের সারথি হয়ে তাকে যুদ্ধে, যে সমস্ত উপদেশ দেন তা পুস্তকাকারে লিখিত রয়েছে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায়। গীতা আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা দেয়। গীতা পাঠের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি; স্বয়ং ভগবানই যুগে যুগে দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন এবং ধর্ম রক্ষার জন্য পৃথিবীতে অবতাররূপে নেমে আসেন। তাছাড়া আত্মা সম্পর্কে বুঝতে পারি, আত্মার ধ্বংস নেই, দেহের 'ধ্বংস হলে সে আবার নতুন দেহ ধারণ করে। এ জ্ঞানের মাধ্যমে আমরা মৃত্যুকে ভয় না করে ভালো কাজে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পাই। তাছাড়া গীতায় জ্ঞান, কর্ম ও ভক্তির সমন্বয় করা হয়েছে এবং জ্ঞানের আলোকে মনকে আলোকিত করার কথা বলা হয়েছে। তার জন্য নিষ্কামভাবে কর্ম করতে হবে এবং এ নিষ্কাম কর্মের ফল ভগবানে সমর্পণ করতে হবে।
সর্বোপরি জ্ঞান, কর্ম ও ভক্তি- এ তিনের সমন্বয়ের মাধ্যমে জীবন পথে চলতে হবে যা হিন্দুধর্মের উচ্চ চেতনার প্রতিফলন। এজন্য গীতা পাঠ ও চর্চা করা হিন্দুধর্মের উচ্চ চেতনার প্রতিফলন-এ কথাটি সঠিক ও যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।