1 Answers
দেবব্রতের বড় ছেলে রজত তার পিতার চিতায় অগ্নিদানের সময় যে মন্ত্রটি পাঠ করেছিল তা হলো-
“ওঁ কৃত্বা তু দুষ্কৃতং কর্ম জানতা বাপ্যজানতা।
মৃত্যুকালবশং প্রাপ্য নরং পঞ্চত্বমাগতম্।
ধর্মাধর্মসমাযুক্তং লোভমোহসমাবৃতম্।
দহেয়ং সর্বগাত্রানি দিব্যান লোকান্ স গচ্ছতু।”
অর্থাৎ, জেনে বা না জেনে তিনি হয়ত দুষ্কার্য করেছেন। এখন মৃত্যুকালবশে তিনি পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি ধর্ম ও অধর্ম এবং লোভ ও মোহাচ্ছন্ন। তাঁর সকল শরীর দগ্ধ করুন। তিনি দিব্যলোকে গমন করুন।
মানুষ বেঁচে থাকতে পৃথিবীতে অনেক সময় অনেক অন্যায়, খারাপ করে ফেলে। বুঝে না বুঝে অপরাধ করে, জেনে না জেনে অনেক পাপকর্মে লিপ্ত হয়। মৃত্যুর পর ঈশ্বরের কাছে তার কৃতকর্মের জবাবদিহিতা করতে হয়। এ মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। পাশাপাশি ঈশ্বর যেন তাকে স্বর্গে নিয়ে যান সে প্রত্যাশাও করা হয়। এ মন্ত্রপাঠের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।