1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত উৎসব দুটি হলো নবান্ন ও বর্ষবরণ যা অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাঙালি সংস্কৃতিতে এমন কিছু উৎসব রয়েছে সেগুলো অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষ এ উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। উদ্দীপকে বাংলাদেশের কৃষকদের হেমন্তকালে ধানকাটার দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাঙালির নবান্ন উৎসবকে নির্দেশ করে। নবান্ন উৎসবকে ঘিরে ঘরে ঘরে নতুন ধানের ভাত ও নানা রকমের পিঠা পায়েসের আয়োজন করা হয়। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালি এক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়। বাঙালির বর্ষবরণও আরেকটি সার্বজনীন উৎসব। এ উৎসবটিও জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পালন করে থাকে। বাংলা সনের প্রথম দিন নতুন বছরকে বরণ করার মাধ্যমে এ উৎসব পালন করা হয়। বর্ষবরণ উৎসব আজ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক মহা উৎসব। এ দিন মিষ্টি খাওয়া, ভাব বিনিময় ও হালখাতাসহ নানা প্রকার অনুষ্ঠান করা হয়। নবান্নও আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন উৎসব। এটি ঋতুভিত্তিক অনুষ্ঠান। এ দুটি অনুষ্ঠানই বাঙালিকে এক অভিন্ন সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। বাঙালিকে এক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে এ দুটি উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।