1 Answers
মানব জীবনের সুকুমার বৃত্তিগুলোর বিকাশে সংসারধর্ম পালনের গুরুত্ব অপরিসীম।
সংসারধর্ম পালনের মধ্যদিয়ে স্বামী-স্ত্রী এক গভীর সম্পর্কে সম্পর্কিত হয়ে একসাথে থাকার প্রতিজ্ঞা করে এবং জীবনের নতুন অধ্যায়ের পথ চলা শুরু হয়। সংসারধর্ম পালনের মধ্য দিয়ে একজন পুরুষ তার জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি অর্থাৎ পিতৃত্ব অর্জন করে। অপরদিকে একজন নারী অর্জন করে মাতৃত্ব, যা তার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। তাছাড়া সংসার ধর্ম পালনের মধ্য দিয়ে মাতা, পিতা, পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন নিয়ে গড়ে উঠে এক সুখের সংসার যাকে কেন্দ্র করে প্রেম-প্রীতি, স্নেহ-বাৎসল্য প্রভৃতি সুকুমার বৃত্তিগুলো পরিপূর্ণরূপে বিকশিত হয়।
শ্রীহরিচাদ ঠাকুর বলেছেন-
গৃহ ধর্ম গৃহ কর্ম করিবে সকল।
হাতে কাম মুখে নাম ভক্তিই প্রবল ॥
গার্হস্থ্য তোমার ধর্ম অতি সনাতন।
দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন।
শ্রীহরিচাঁদ ঠাকুর উপলব্ধি করেছিলেন সংসারধর্ম হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম। তিনি নিজেও সংসারী ছিলেন। এবং তিনি তার অনুসারীদের সংসারী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
সংসার জীবন মানুষকে ধর্মপথে চালিত করে। প্রকৃত সংসারী ব্যক্তি কখনও বিপথগামী হয় না। এজন্য সংসারধর্ম পালনের গুরুত্ব অপরিসীম।