ইমনের বিকাশে বংশগতি ও পরিবেশ কোনটির গুরুত্ব বেশি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)
1 Answers
ইমনের বিকাশে বংশগতি ও পরিবেশ উভয়েরই সমান গুরুত্ব রয়েছে। বিকাশ বংশগতি ও পরিবেশ এই দুই উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়ার দ্বারা নির্ধারিত হয়।
উন্নত জাতের বীজ থেকে উন্নত মানের ফলন পাওয়া যায়। কিন্তু বীজ থেকে গাছ হওয়ার জন্য চাই উর্বর মাটি, পর্যাপ্ত পানি, আলো-বাতাস ইত্যাদি। পরিবেশের এই উপাদানগুলোর অভাবে কখনই উন্নত মানের বীজ হতে উন্নত মানের ফলন সম্ভব হয় না।
আবার উর্বর মাটি, পর্যাপ্ত পানি, আলো-বাতাস ইত্যাদি ভালো পরিবেশ বিদ্যমান থাকলেও উন্নত বীজের অভাবে উন্নত মানের ফলন আশা করা যায় না। অর্থাৎ শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে বংশগতি ও পরিবেশ উভয়েরই গুরুত্ব অপরিসীম। জন্ম থেকে ক্ষীণ বৃদ্ধিসম্পন্ন একটি শিশুকে উন্নত পরিবেশে প্রতিপালন করলেও তার মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থেকে যায়। একইভাবে অধিক বুদ্ধিমত্তা নিয়ে যে শিশু জন্মগ্রহণ করে তাকে যদি তার বুদ্ধি বিকাশের সহায়ক পরিবেশ ও শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া না হয়, তবে তার বুদ্ধিমত্তার পূর্ণাঙ্গ পরিস্ফুটন হয় না। উপযুক্ত পরিবেশ শিশুর জন্মসূত্রে পাওয়া বৈশিষ্ট্যের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটায়। অর্থাৎ বংশগতি এবং পরিবেশ উভয়েরই পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে শিশুর বিকাশ নির্ধারিত হয়। ইমনের বয়স ১৫ বছর। সবার সাহচর্যে তার বর্ধন ও বিকাশ সঠিকভাবে হয়েছে। এক্ষেত্রে তার বংশগতি এবং পরিবেশ উভয়েরই সমান গুরুত্ব রয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, ইমনের বিকাশে বংশগতি ও পরিবেশ উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।