1 Answers

জন্ম অবস্থায় শিশুর মধ্যে এমন প্রবণতা থাকে যার কারণে তার দেহের আকৃতি, গঠন, চেহারা, আচরণ, গুণাবলি অন্যদের থেকে আলাদা হয়। 

পরবর্তীতে সে যে পরিবেশে জীবনযাপন করে সে পরিবেশের প্রভাবেই তার সারা জীবনের বিকাশ নিয়ন্ত্রিত হয়। জন্মের পর যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে বংশগতি যাই হোক না কেন ব্যক্তির কাঙ্ক্ষিত বিকাশ সম্ভব হয়। 

রাইসা ও সামিহা যমজ বোন হলেও তাদের আচরণে কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। রাইসা রাঙ্গামাটিতে বাবা-মায়ের কাছে থেকে গেলেও সামিহাকে ঢাকায় ফুফুর কাছে প্রতিপালনের জন্য পাঠানো হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় রাইসা খুব কর্মঠ ও সুঠাম দেহের অধিকারী হলেও প্রযুক্তিগত বিদ্যায় বেশি উন্নত হয়নি। অপরদিকে সামিহা বুদ্ধিমত্তায় বিচক্ষণ হলেও শারীরিক দিক থেকে পরিশ্রমী নয়। যেহেতু পাহাড়ি অঞ্চলে জীবনধারণ করা সমতলের তুলনায় কষ্টকর তাই এ অঞ্চলের ছেলেমেয়েরা কর্মঠ ও পরিশ্রমী হয়। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, শিক্ষার বিষয়বস্তু, শিক্ষাপদ্ধতি ইত্যাদি শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে। এ কারণেই পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করায় রাইসা পরিশ্রমী হলেও সামিহা ঢাকার উন্নত পরিবেশে থেকে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে রাইসার চেয়ে উন্নত।

অতএব বলা যায়, রাইসা ও সামিহার মধ্যকার বৈসাদৃশ্য সৃষ্টিতে বংশগতি নয় পরিবেশই অনেকাংশে দায়ী।

5 views

Related Questions