1 Answers
হ্যাঁ, নারী-পুরুষের সমতার বিষয়ে আমি একমত। এর সপক্ষে যুক্তি হলো-
* ঈশ্বর নারী-পুরুষ সৃষ্টির পর উভয়ের সুস্থ সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং তাঁর অনুগ্রহে নারী-পুরুষ পরস্পরের কাছে নিজেকে উৎসর্গ করে। ঈশ্বরের ভালোবাসার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করে। তাই নারী-পুরুষের মাঝে সমতা ঈশ্বরেরই পরিকল্পনা।
* সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকে ঈশ্বর তার আপন প্রতিমূর্তিতে, আপন সাদৃশ্যে এবং পুরুষ ও নারী করে সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিটি মানুষকে স্ব-স্ব মর্যাদা ও সম্মানদান করেছেন। তাই পুরুষ ও নারীর মধ্যে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা পার্থক্য থাকতে পারে না। তারা সম্মান ও মর্যাদার দিক দিয়ে প্রত্যেকে সমান।
* শারীরিক গঠন ও মানসিক ধ্যানধারণা বা চিন্তাধারার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা আমরা প্রত্যেকেই জানি ও স্বীকার করি। এ ভিন্নতা সৃষ্টিকে আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে, মানুষকে করে তুলেছে পরস্পরের পরিপূরক বা সহায়ক।
* মানুষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকে একক সত্তার অধিকারী বা স্বতন্ত্র। আমাদের প্রত্যেকের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আমরা আমাদের প্রত্যেকের ধ্যানধারণা ও চিন্তাভাবনায় অনন্য। পুরুষ বা নারী বলে কেউ ছোট বা বড় তা নয়। তেমনিভাবে কোনো এক শ্রেণির মানুষ কম বুদ্ধিমান আবার আরেক শ্রেণির মানুষ বেশি বুদ্ধিমান, এক শ্রেণি উঁচু স্তরের আবার এক শ্রেণি নিচু স্তরের তা নয়। মানুষ হিসেবে মর্যাদার মাপকাঠিতে আমরা পুরুষ ও নারী সবাই সমান।
মূলকথা: নারী-পুরুষ উভয়ই ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে গড়া।