1 Answers
খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করে রমা খাদ্য সংরক্ষণ করতে পারেন। আমি এর সাথে একমত। খাদ্য সংরক্ষণ বলতে বোঝায় খাদ্য যাতে পচে নষ্ট হয়ে না যায়। সেজন্য যে যে ব্যবস্থা অবলম্বন করে খাদ্যের গুণাগুণ অনুসারে খাদ্যকে বিভিন্নভাবে মজুদ রাখা যায় তাকেই খাদ্য সংরক্ষণ বলে।
রমা শুষ্ককরণ পদ্ধতির মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করতে পারেন। খাদ্য শুকিয়ে পানি নিষ্কাশন করলে জীবাণু, ছত্রাক, এনজাইম ইত্যাদি প্রতিহত হয়। রেফ্রিজারেটরের মাধ্যমে রমা খাদ্যবস্তু সংরক্ষণ করতে পারেন। নিম্নতাপে খাদ্যবস্তুতে পানি জমে যায়। এনজাইম ক্রিয়া ও জীবাণুর বংশবৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। হিমাঙ্কের নিচে অর্থাৎ (০০-৫° সে পর্যন্ত তাপমাত্রায়) পচনশীল খাদ্য যেমন- মাছ, মাংস, দুধ এবং রান্না করা খাদ্য ১ সপ্তাহের বেশি রাখতে পারেন। রেফ্রিজারেটরের ডিপ ফ্রিজে -১৮°০ থেকে ৪০°C এর নিচে মাছ, মাংস, দুধ প্রভৃতি ৩-৬ মাস পর্যন্ত রাখতে পারেন। চিনি, লবণ, সিরকা, তেল, রাসায়নিক দ্রব্য- পটাসিয়াম মেটাসালফাইড, বেনজয়িক এসিড প্রভৃতির মাধ্যমে রমা বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করতে পারেন। সবজি, পিকেলস প্রভৃতি খাদ্য ভিনেগারে রেখে সংরক্ষণ করা যায়। ভিনেগারে এসিটিক এসিড দ্রব্যের অম্লতা বাড়িয়ে কিছু জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে। ইলিশ মাছ, আচার, লেবু, কাঁচা আম, চালতা প্রভৃতি লবণ দিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারেন। ডুবানো তেলে বিভিন্ন ধরনের আচার সংরক্ষণ করলে ছত্রাক জন্মাতে পারে না। জ্যাম, জেলি, আচার, মোরব্বা, মার্মালেড, স্কোয়াশ প্রভৃতি চিনির সাহায্যে সংরক্ষণ করা হয়।
উল্লিখিত পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করতে পারেন।