1 Answers
দ্বিতীয় বক্তার বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করি। কারণ একসময় মুসলমানগণই বিশ্বের নেতৃত্ব দিয়েছিল।
পবিত্র কুরআন ও হাদিস থেকে শিক্ষার অনুপ্রেরণা পেয়ে মুসলিম জাতি জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চায় এবং শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নয়ন ও বিস্তারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। এভাবে মুসলিমগণ সমগ্র বিশ্বের আলোকবর্তিকারূপে আবির্ভূত হয়। শিক্ষায় মহানবি (স.) থেকে শুরু করে আব্বাসি শাসকগণ অসামান্য অবদান রেখেছেন। সাহিত্যে শেখ সাদী ও উমর খৈয়াম, দর্শনশাস্ত্রে আল কিন্দি ও ইবনে সিনা, রসায়নে জাবির ইবনে হাইয়ান, পদার্থবিজ্ঞানে হাসান ইবনে হায়সাম, জ্যোতিবিদ্যায় উমর খৈয়াম ও আল বাগনী, চিকিৎসাশাস্ত্রে আল রাযি ও ইবনে সিনা এবং ভূগোল শাস্ত্রে আল খারিযমির অবদান সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য। বাঙালিরাও যদি জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে পারদর্শী হয় তাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশ তারা যেমন গড়তে পারবে, তেমনি সারাবিশ্বে তারা নেতৃত্ব দিতে পারবে। কারণ ইতিপূর্বে মুসলমানগণ তাদের জ্ঞান গরিমার কারণে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছেন এবং বিশ্ব নেতৃত্বে অংশীদারিত্ব করেছেন। তাই বর্তমানেও যদি উঁচুমানের শিক্ষা অর্জন করা যায়, তাহলে আবার নতুনভাবে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব হবে, নতুবা সম্ভব নয়।