1 Answers

উক্ত সাহিত্য অর্থাৎ অঠকথার বর্তমানকালের পালিভাষায় রচনা বিবর্তনের ফসল- বক্তব্যটি যথার্থ।

গৌতম বুদ্ধ ধর্ম প্রচারের পর নানা মতের ও নানা গোত্রের বহু শ্রেণির মানুষ বুদ্ধের ধর্মের মত গ্রহণ করেন। ফলে বুদ্ধের জীবিতকালেই বিভিন্ন জনের বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্রেক হতো। বুদ্ধের পরে সকল প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা প্রদান বিষয়ের ব্যাখ্যার ভার প্রধান শিষ্যদের উপর পড়ে। বুদ্ধ এবং শিষ্যগণের এসব ব্যাখ্যামূলক সমাধানকে অটঠকথার সূচনাকাল বলা হয়।

বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের পর প্রথম মহাসঙ্গীতি হলেও ত্রিপিটক লিখিত হয় নি। তৃতীয় সঙ্গীতির পর ত্রিপিটক লিখিত আকারে রাখার ব্যবস্থা হয়। এ সময় অঠকথাসমূহ সংগৃহীত হয়। এ সময় স্থবির মহিন্দ পালি অঠকথাসমূহ সিংহলে নিয়ে যান এবং সিংহলি ভাষায় রূপান্তর করেন। খ্রি. পূর্ব ১ম শতকে সিংহলরাজ বট্টগামিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় অঠকথাসমূহ সিংহলি ভাষায় তালপত্রে লিখা হয়। কিন্তু তা ভারতঘর্ষে পাওয়া যেত না। তাই খ্রিষ্টীয় ৫ম শতাব্দীর দিকে বুদ্ধঘোষ বুদ্ধদত্ত, ধর্মপাল, মহানাম এবং উপসেন প্রমুখ পণ্ডিতগণ সিংহলে গিয়ে অঠকথাসমূহ পালি ভাষায় রচনা করেন।

পরিশেষে বলা যায়, উপরে বর্ণিত ক্রমবিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এভাবে অষ্টকথাসমূহ বর্তমানের রূপ পরিগ্রহ করে।

4 views

Related Questions