1 Answers

আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় জনাব রহমানের ক্ষুদ্র শিল্পটি স্থাপনের যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ শিল্পের জন্য তুলনামূলক কম পুঁজির প্রয়োজন হয়। তাই উদ্যোক্তারা শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হয় বেশি। সঠিক স্থানে উপযুক্ত শিল্প স্থাপন করলে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। দেশেরও উন্নতি হয়।

উদ্দীপকের জনাব রহমান কুয়াকাটায় একটি লবণ প্রক্রিয়াজাত কারখানা তৈরি করেন। এখানে তিনি ৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। আর ৪১ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। এসব বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তার কারখানাটিকে ক্ষুদ্র শিল্পের অন্তর্গত বলা যায়।

তার শিল্পটি কুয়াকাটায় অবস্থিত। এখানে লবণ প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কুয়াকাটায় সমুদ্রের লোনা পানি থেকে প্রচুর লবণ উৎপাদন করা যায়। তাই জনাব রহমান কম খরচে ও সহজে কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারেন। অন্যদিকে, কুয়াকাটা থেকে সারা দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় লবণ বিপণন তার জন্য সহজ হয়। আর এ শিল্পের মাধ্যমে স্থানীয় অনেক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। তাদের আয় বাড়ছে। এতে সমাজের ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে। জনাব রহমানের ব্যবসায়েরও উন্নয়ন হচ্ছে। সুতরাং, দেশের আর্থ- সামাজিক উন্নয়নের জন্য জনাব রহমানের ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন যৌক্তিক হয়েছে।

4 views

Related Questions