1 Answers
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মনির মতো উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি।
উদ্যোন্তাগণ উদ্যোগমূলক কাজের মাধ্যমে নিজেদের জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থা করেন। তারা সম্পদের সঠিক ব্যবহার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নতি গতিশীল করে।
উদ্দীপকের রনি ও জনি এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তি হয়। আর তাদের বন্ধু মণি টেকনিক্যাল কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষা নেয়। এরপর পড়াশোনা শেষে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করা শুরু করে। সে মনে করে, সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় বেকারত্বের পরিমাণ বাড়ছে। কারণ একই সময়ে রনি ও জনি চাকরির অপেক্ষা করছে। মণি তার কারিগরি শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করছে। এক্ষেত্রে, সে চাকরির আশায় না থেকে নিজেই ব্যবসায়ের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে সে তার কর্মসংস্থান করতে পেরেছে। আর তার প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কাজে আরও লোক নিয়োগ করতে হবে। এভাবে অনেকের কাজের ক্ষেত্র সে তৈরি করতে পারবে। এছাড়া, তার মতো আরও অনেক উদ্যোক্তা দেশের বেকারত্ব লাঘবে ভূমিকা রাখতে পারবে। ফলে মাথাপিছু আয় বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতির চাকা আরও শক্তিশালী হবে।
এসব কারণে বলা যায়, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মণির মতো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম।