1 Answers

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মি. নিজামের মতো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। 

ব্যবসায় উদ্যোক্তারা নতুন ধারণা উদ্ভাবন ও প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভূমিক রাখেন। তারা নিজের ও অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেন। এতে দেশের বেকারত্বের হার কমে। এছাড়া সম্পদের সব্যবহার, জাতীয় আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রেও উদ্যোক্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। 

উদ্দীপকের মি. নিজাম পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী রিসাইক্লিং করার একটি কারখানা দেন। এখানে তিনি শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলনা তৈরি করেন। কারখানায় ১০ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। চাহিদা বাড়ায় বর্তমানে তিনি বিদেশে পণ্য রপ্তানি করছেন। মি. নিজাম নষ্ট প্লাস্টিক কাজে লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ কমাচ্ছেন। এতে প্রাপ্ত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারও নিশ্চিত হচ্ছে। এছাড়া তার কারখানায় বেকার যুবকদের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তিনি বিদেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। এতে দেশের জাতীয় আয় বাড়ছে। ভবিষ্যতে তার প্রতিষ্ঠান আরও সম্প্রসারিত হবে। তখন তিনি সব ক্ষেত্রে আরও বেশি অবদান রাখতে পারবেন। তাকে দেখে বেকার যুবকরা অনুপ্রাণিত হবে। ফলে তারাও ব্যবসায় উদ্যোগ নিবে। এতে সামগ্রিকভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

 তাই বলা যায়, মি. নিজামের মতো উদ্যোক্তাগণ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে গতিশীল করছেন।

5 views

Related Questions