1 Answers
উদ্দীপকে কণা সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনযাপন করছে।
জীবনে অর্থপূর্ণভাবে ও আনন্দের সঙ্গে বেঁচে থাকা এবং সমাজে টিকে থাকার জন্য মানুষ পরস্পরের সাথে যে প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলে তা-ই হলো সম্প্রীতি বা বন্ধুত্ব। একজন ছেলে বা মেয়ে তার পরিবারে পরস্পর ভালোবাসার বন্ধনের মাঝেই প্রথম সম্প্রীতি বা বন্ধুত্বের অভিজ্ঞতা অর্জন করে। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সে সমাজে সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। পরবর্তীকালে আরও বৃহত্তর পরিসরে সে সম্প্রীতির অভিজ্ঞতা লাভ করে। যেমন: ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি স্থানে ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, জাতিনির্বিশেষে সবার সাথে সে সম্প্রীতি গড়ে তোলে। এভাবে কষ্টকর নিঃসঙ্গ জীবন পরিত্যাগ করে মানুষ সম্প্রীতির আনন্দে বসবাস করে। উদ্দীপকে কণা তার লেখাপড়ার পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষার্থীর সাথে মিলেমিশে চলে, শিক্ষকদের অনেক সম্মান করে, স্কুলের সহপাঠক্রমিক কাজে অংশ নেয়। এর ফলে সে সবার কাছে খুবই প্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে কণার সাথে সবার সম্প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সম্প্রীতি তার জীবনে বয়ে আনে অদম্য কর্মস্পৃহা ও জীবনের প্রতি আগ্রহ। উপরিউক্ত আলোচনা দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, কণা সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনযাপন করছে।
মূলকথা: সম্প্রীতি ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন প্রয়োজন।