1 Answers

 মি. চন্দ্রের জীবনযাপন ও সম্প্রীতির জীবনযাপন সম্পর্কিত পাঠ্যবইয়ের আলোকে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো:

নিঃসঙ্গতা

সম্প্রীতি

নিঃসঙ্গতা জীবন ও কর্মে অনীহা বয়ে আনে।সম্প্রীতিপূর্ণ জীবন আনে অদম্য কর্মস্পৃহা ও জীবনের প্রতি আগ্রহ।
নিঃসঙ্গতা কষ্ট ও বেদনা বয়ে আনে।সম্প্রীতি বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও আনন্দ।
নিঃসঙ্গ জীবনে মানুষ অন্যদের কাছ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে একা সুখী হতে চায়। কিন্তু প্রকৃত সুখ তারা পায় না। নিঃসঙ্গারা নিজের ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনগুলো মিটাতে পারে না এবং অন্যদের প্রয়োজনগুলো সম্বন্ধেও সচেতন থাকে না।সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনগুলো অনেকটাই মিটাতে সক্ষম হয় ও অন্যদের জীবনের প্রয়োজনগুলো মিটানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করে।
নিঃসঙ্গ জীবনে একাকিত্ব, ব্যর্থতা ও উদ্দেশ্যহীনতার উপলব্ধি অনুভূত হয়; জীবনকে তুচ্ছ, অর্থহীন ও উদ্দেশ্যহীন মনে হয়।সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনকে সুন্দর ও অর্থপূর্ণ মনে হয় এবং ব্যক্তির মধ্যে উদারতা ও সহভাগিতার মনোভাব জেগে উঠে । 
নিঃসঙ্গ জীবনে সবসময় একটি অভাববোধ থেকে যায়।সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনে অন্তরে সর্বদা একটি পূর্ণতা, আনন্দ ও কৃতজ্ঞতাবোধ বিরাজ করে।

মূলকথা: নিষ্ঠা ও সম্প্রীতির অনুভূতি ভিন্ন রকম।

5 views

Related Questions