1 Answers

বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উক্ত যুবক অর্থাৎ নূর হোসেনের মতো আরও অনেকেই ত্যাগ স্বীকার করেছেন- আমি এ উক্তিটির সাথে সম্পূর্ণ একমত।

১৯৮৭ সালে আন্দোলনরত অবস্থায় নূর হোসেন শহিদ হন। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশে সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে জনতার ওপর গুলি চালালে শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলোর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তোলে। ওই দিন মিছিলে গুলিবর্ষণে ৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক আহত হন। এতে ২২টি ছাত্র সংগঠন 'সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য' গঠন করে এবং এরশাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। বিরোধী দলের একের পর এক আন্দোলনে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পিছু হটতে থাকেন। পরবর্তীতে ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) নেতা ডা. সামসুল আলম মিলনের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে চরম রূপ দেয়। ২৯ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকবৃন্দ একযোগে পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দও পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংঘটিত হয় এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। ফলে আন্দোলনের তীব্রতা আর সইতে না পেরে এরশাদ ১৯৯০-এর ৪ ডিসেম্বর ক্ষমতা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ফলে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

5 views

Related Questions