1 Answers
আত্মার দেহ পরিবর্তনকে জন্মমৃত্যু বলে।
দেহ ও আত্মার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দেহকে আশ্রয় করে আত্মার অভিযাত্রা। দেহহীন আত্মা নিষ্ক্রিয়, আত্মাহীন দেহ জড়। দেহহীন আত্মা ক্রিয়াহীন, আত্মাহীন দেহ জড়। রমেশ ছোট বোন তমাকে বুঝিয়ে দিতে পারে যে, মানুষের জন্মমৃত্যু চক্রাকারে আবর্তিত। তবে জীবদেহের বিনাশ আছে কিন্তু আত্মার বিনাশ নেই। দেহকে কেন্দ্র করে আত্মার অভিযাত্রা। আবার এ জীবাত্মাই পরমাত্মার অংশবিশেষ। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথায় আত্মা জন্মহীন, মৃত্যুহীন, শাশ্বত, পুরাতন হয়েও চির নতুন।
ঈশ্বরই জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করছেন। তমা তার দাদার কাছে আত্মা সম্পর্কে জানতে চায়। সে দেহ ও আত্মার সম্পর্ক শাস্ত্রীয় বাণীর মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয়। আমাদের জীবন-মৃত্যু চক্রাকারে আবর্তিত। পরমাত্মাই জীবনের মধ্যে আত্মারূপে বিদ্যমান। ঈশ্বর আত্মারূপে প্রবেশ করলে জীবদেহ চেতনা পায়। জীবাত্মা দেহ পরিত্যাগ করলে জীবের মৃত্যু হয়। তমা আরও জানল, জীবাত্মা পরমাত্মারই অংশবিশেষ। পরমাত্মার ন্যায় জীবাত্মাও জন্ম-মৃত্যুহীন এবং শাশ্বত। এ আত্মা জন্মেন না, মরেন না। তবে আত্মার দেহ পরিবর্তনই জন্মমৃত্যুর কারণ।