1 Answers
পাঠ্যপুস্তকের আলোকে সুমনের খ্রিষ্টবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে মন পরিবর্তনের জীবনযাপন ও সম্প্রীতির জীবনযাপনের তুলনামূলক আলোচনা হলো-
খ্রিষ্টবিশ্বাসে বলীয়ান জীবনযাপন
> যীশু খ্রিষ্ট হচ্ছেন স্বয়ং পরমেশ্বরের পুত্র, অর্থাৎ তিনিও ঈশ্বর। তার প্রতি বিশ্বাস রেখে চললে তথা জীবনযাপন করলে আমরা পবিত্র থাকব এবং তার সাথে যুক্ত থাকব।
> খ্রিষ্টবিশ্বাসে বলীয়ান ব্যক্তির জীবন ভালো তথা সৎ পথে পরিচালিত হয়। খারাপ বা অসৎ কিছু তাদের যীশু প্রথমে আহ্বান জানান, তোমরা পাপ থেকে মন ফেরাও আর মঙ্গল সমাচারে বিশ্বাস কর। কাছে আসতে পারে না।
> খ্রিষ্টবিশ্বাসে সবল যারা যীশুর শিক্ষা যথার্থভাবে তারা ধারণ করে। মানুষকে ভালোবাসে, সেবা করে ও সহযোগিতার মনোভাব ধারণ করে।
> খ্রিষ্টবিশ্বাসী ভক্তজন নম্রতা ও পবিত্রতার সাথে জীবনযাপন করে। যারা বিশ্বাস, করবে তারা মুক্তিলাভ করবে ও অনন্তকাল বেঁচে থাকবে।
সম্প্রীতির জীবনযাপন
> মানুষ পরস্পরের প্রতি যে প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলে তা-ই সম্প্রীতি। সম্প্রীতি বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও আনন্দ।
> সম্প্রীতি পরস্পরকে শান্তিপূর্ণ মানবিক শক্তি ও গতিশীলতা দান করে। সম্প্রীতি জীবনে আনে আগ্রহ ও অদম্য কর্মস্পৃহা। সম্প্রীতি জীবনকে সুন্দর ও অর্থপূর্ণ করে দেয়। ব্যক্তির মাঝে উদারতা ও সহভাগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে।
> সম্প্রীতিপূর্ণ জীবনে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনসমূহ অনেকটা মেটাতে সক্ষম হয় এবং এ সম্পর্কে অন্যদেরও সাহায্য প্রদান করতে সক্ষম হয়।
> মানুষ সম্প্রীতির আনন্দে বসবাস করতে উদ্যোগী হয় এবং পরিবারে সম্প্রীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
মূলকথা: যীশুর আগমন মুক্তি ও পরিত্রাণের জন্য।