1 Answers

উদ্দীপকে চন্দনের মধ্যে চরম হতাশা কাজ করে। হতাশার কারণে তিনি সবসময় নিজেকে গুটিয়ে রাখেন। আমি মনে করি, তার এ অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব যীশুর শিক্ষার মাধ্যমে। যীশু কখনওই নিজের দুঃখ-কষ্ট বড় করে দেখেননি; বরং অন্যের দুঃখ- কষ্টে তিনি তাদের সমব্যথী হয়েছেন। যখনই তিনি অন্যের দুঃখ-কষ্ট দেখেছেন, তখনই তিনি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি কখনওই দুঃখ-কষ্ট বা মৃত্যু এর কোনোটিকেই দূরে সরিয়ে দেন না; বরং সেগুলোর সামনে সৎসাহসের সাথে দাঁড়ান এবং মোকাবিলা করেন। শোকে কাতর মানুষের চোখের জল তিনি দূর করে দেন না; কিন্তু জীবনের চলার পথে তিনি মানুষের চোখের জল মুছিয়ে দেন। এটি চন্দনের সাথে যীশুর মিলনের একটি আনন্দময় চিহ্ন। তাই যীশুর শিক্ষা চন্দনের জীবনে হয়ে উঠতে পারে একটি আশীর্বাদ। কেননা যীশুর জীবনাচরণ আমাদের শিক্ষা দেয় কীভাবে দুঃখ-কষ্ট-হতাশা দূর করা যায়। 

মূলকথা: দুঃখ-যন্ত্রণা ভোগ চন্দনের জন্য হয়ে উঠতে পারে আশীর্বাদ।

5 views

Related Questions