1 Answers

জনাব আবু সালেহ এর কর্মকাণ্ডে চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা.)-এর চরিত্র ফুটে উঠেছে।

জনাব আবু সালেহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরও পরিবারের কাজকর্ম নিজ হাতে সম্পাদন করেন। তার মাসিক বেতনের সামান্য অংশ পরিবার-পরিজনের ব্যয়ভার বহনের জন্য রেখে বাকি অর্থ এলাকার গরিব-দুস্থদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় শিক্ষার কাজে ব্যয় করেন। অনুরূপ অবস্থা খুলাফায়ে রাশেদিনের চতুর্থ খলিফা হযরত আলি (রা.)-এর জীবনে পরিলক্ষিত হয়। মুসলিম জাহানের খলিফা হয়েও তিনি এবং তাঁর স্ত্রী বিবি ফাতেমা (রা.) স্বহস্তে সংসারের কাজ করতেন। দরিদ্রতা ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি থাকা-খাওয়া, বেশভূষা ইত্যাদিতে মহানবি (স.) ও পূর্ববর্তী খলিফাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতেন। স্বচ্ছ, সরল, অনাড়ম্বর ও নিষ্কলুষ জীবনযাপন করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। এজন্য কর্নেল ওসবর্ণ তাঁকে “সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মাবিশিষ্ট মুসলমান" বলে অভিহিত করেছেন। তাঁকে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য মহানবি (স.) ইয়েমেনে প্রেরণ করেন, সেখানে তিনি ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন।

 

5 views

Related Questions