1 Answers
উদ্দীপকে লিমনের কর্মকান্ডে পরকালীন জীবনের হাশরের স্তরটি ফুটে উঠেছে।
হাশর হলো মহাসমাবেশ। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে সকল মানুষ ও প্রাণিকুল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হবে। সকলেই সেদিন একজন আহ্বানকারী ফেরেশতার ডাকে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। এ ময়দান বিশাল ও সুবিন্যস্ত। পৃথিবীর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকল মানুষই সেদিন এ মাঠে একত্রিত হবে। মানুষের এ মহাসমাবেশকেই হাশর বলা হয়।\
প্রদত্ত উদ্দীপকের লিমন লিটনকে বলে, দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়, মৃত্যুর পর আমাদেরকে দুনিয়ার সকল কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। যা মূলত হাশরের ময়দানের হিসাব-নিকাশের কথাই বুঝিয়েছেন। হাশরের ময়দান হলো হিসাব-নিকাশের দিন, জবাবদিহির দিন। এদিন আল্লাহ তায়ালা হবেন একমাত্র বিচারক। আল্লাহ তায়ালা বলেন- ملِكِ يَوْمِ الدِّينِ
অর্থ : “তিনি (আল্লাহ) বিচার দিবসের মালিক।” (সূরা আল-ফাতিহা : ৩) সেদিন সকল মানুষের সমস্ত কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। হাশরের ময়দানে মানুষের আমলনামা দেওয়া হবে। যারা পুণ্যবান তারা ডান হাতে আমলনামা লাভ করবেন। আর পাপীরা বাম হাতে আমলনামা পাবে।