1 Answers
ইমনের কর্মকান্ডে কুফর ফুটে উঠেছে। কারণ সে ইচ্ছাকৃত সালাত পরিত্যাগ করেছে এবং সালাতের ব্যাপারে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে।
ইসলামের দ্বিতীয় রুকন হলো সালাত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান নরনারীর ওপর প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা ফরজ। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত এ নামায ছেড়ে দেয় সে কুফরি করে। এ মর্মে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত সালাত পরিত্যাগ করল সে কুফরি করল। রাসুলুল্লাহ (স.) আরও বলেছেন, "সালাত হলো ইমান ও কুফরের মধ্যে পার্থক্যকারী।” (তিরমিযি)
ইমনকে শোভন মাগরিবের সালাত আদায় করতে বললে, সে সালাত তো আদায় করেইনি বরং উল্টো মন্তব্য করেছে। সে বলেছে, খেলা দেখা বাদ দিয়ে নামায পড়ে লাভ কী? তার এ মন্তব্য দৃষ্টতাপূর্ণ। এ ধরনের মন্তব্য নাস্তিক ও কাফিরদের মুখেই শোভা পায়। কোনো মুসলিম এমন জঘন্য উক্তি সালাতের ক্ষেত্রে করতে পারে না।
তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, ইমনের কর্মকাণ্ড কুফর ভিন্ন আর কিছু নয়। তার উচিত তাওবা করা এবং নতুনভাবে ইমান আনা।