1 Answers

"উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'বঙ্গবাণী' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

মাতৃভাষা মানুষের আত্মবিকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম। মাতৃভাষার মাধ্যমে মানুষ সহজে শিক্ষা ও সাধনা করতে পারে। মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষের চিন্তা-চেতনার সার্থক প্রতিফলন ঘটে।

উদ্দীপকে মাতৃভাষার প্রতি অনুরাগী মনোভাবের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের কবির কাছে তাঁর ভাষা 'সকল ভাষার চাইতে খাসা'। আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষার দানের প্রতি উদ্দীপকের কবির যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে তা 'বঙ্গবাণী' কবিতায় প্রতিফলিত বাংলা ভাষার প্রতি কবির কৃতজ্ঞ প্রকাশের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাঁরা উভয়েই মাতৃভাষা বাংলায় নিজের ভাব প্রকাশ করে তৃপ্ত ও গর্বিত। তাঁদের উভয়ের মাঝে এ ভাষার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে, যা অন্য কোনো ভাষার প্রতি নয়।

'বঙ্গবাণী' কবিতায় কবি নিজের ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং এ ভাষার প্রতি বিরাগভাজনদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নিজের মাতৃভাষাকে প্রাণের অধিক ভালোবাসেন বলেই কবি বিদেশি ভাষার প্রতি অনুরাগীদের সমালোচনা করেন। এ কারণে তিনি তাদের জন্ম-পরিচয় নিয়েও কটাক্ষ করেন। এ বিষয়টি উদ্দীপকের কবিতাংশেও প্রকাশ পেয়েছে। কবি এখানে এ ভাষার পীযুষ মুখে মায়ের বুকে নয়ন মেলার কথা বলেছেন। 'বঙ্গবাণী' কবিতার কবি মনে করেন, দেশি ভাষায় বিদ্যা শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা অত্যন্ত সহজ। এভাবে উদ্দীপকের মূলভাব 'বঙ্গবাণী' কবিতার মূলভাবকে প্রতিফলিত করে।

6 views

Related Questions