1 Answers

উদ্দীপকের পারুলই যেন 'বই পড়া' প্রবন্ধের শিক্ষিত মানুষ- মন্তব্যটি যথার্থ।

শিক্ষা হচ্ছে আনন্দের মধ্যে অর্জিত জ্ঞান, যা মানুষের জীবন ও জগতের কল্যাণ সাধন করে। জোর করে চাপিয়ে মুখস্থ করানো শিক্ষার প্রকৃত পদ্ধা ত নয়। তাতে মনের যোগ থাকে না। তাই যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে বই পড়ে মনের প্রসারতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে আত্মিক ও মানসিক বিকাশ সাধন করে কল্যাণকামী কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত করে।

'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখক বই পড়ার উপযোগিতা এবং বই পড়া সম্পর্কে পাঠকের মানসিকতা আলোচনা করেছেন। তিনি পাঠে অনীহার ক্ষেত্রে আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। লেখক প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে অর্থ উপার্জন করতে আমাদের অনুপ্রাণিত করে, কীভাবে আমাদের হৃদয়ানুভূতিকে নষ্ট করে সেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। লেখক আরও বলেছেন, মনের প্রসারতার জন্য এবং যথার্থ শিক্ষিত হওয়ার জন্য বই পড়তে হবে। সুশিক্ষিত হতে হবে। তার এই মতের সঙ্গে উদ্দীপকের পারুলের মানসিকতার মিল রয়েছে। পারুল তার পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই পড়ে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে চায়। কারণ এই বাঁইগুলোর মধ্যে সে নতুন জগৎ ও জীবন খুঁজে পায়। তাই সে জন্মদিন পালনের টাকা দিয়ে বই কিনতে চায়।

উদ্দীপকের পারুল তার জন্মদিনের জন্য খরচের টাকায় একুশের বইমেলা থেকে বই কেনার বায়না করে। এতে স্কুলের পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই কিনে পড়ার প্রতি তার আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকও বাঙালির মনে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে চেয়েছেন। যাতে তারা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। এক্ষেত্রে আলোচ্য প্রবন্ধের আলোকে বালা যায় পারুলের চিন্তাচেতনা ও কর্মকাণ্ড অনুযায়ী সে একজন শিক্ষিত মানুষ।

5 views

Related Questions